TutorEngine

শিক্ষক, টিউটর ও কোচিং সেন্টারের জন্য

পুরো বাংলাদেশ এখন আপনার ক্লাসরুম

সারা বাংলাদেশে পড়ান নিজের নামে — ভর্তি, পেমেন্ট, ব্যাচ আর লাইভ ক্লাস এক প্ল্যাটফর্মে, আপনার নিয়ন্ত্রণে।

কার্ড লাগবে না · সেটআপ ফি নেই · আপনার ছাত্র, আপনার টাকা, আপনার নাম

যার বিরুদ্ধে লড়াই

আপনিই পুরো প্রতিষ্ঠান

মার্কেটিং আপনি, অফিস আপনি, হিসাবরক্ষক আপনি — একজন মানুষ যতদূর পারে, আপনার একাডেমি ঠিক ততদূর।

এত পরিশ্রম করেও মনে হয় জায়গায় দাঁড়িয়ে আছি — পরিশ্রম বাড়ছে, জীবনটা এগোচ্ছে না।

যতজন চেনে, ততজনই ছাত্র

যে ছাত্র আপনার নাম জানে না, সে আপনার কাছে আসতেই পারে না — সে পাশের এলাকায় থাকুক বা অন্য জেলায়। মুখে মুখে যতটুকু নাম ছড়ায়, আপনার একাডেমি ঠিক ততটুকু। বয়স বাড়ে, বৃত্তটা বাড়ে না।

সব প্রশ্ন এসে থামে আপনার ফোনে

রুটিন, নোট, বকেয়া, মিস করা ক্লাস — প্রতিটা প্রশ্নের উত্তর আপনাকেই দিতে হয়, রাত এগারোটায়ও। পড়ানোর সময়টুকু বাদ দিলে বাকি দিনটা চলে যায় সামলাতে, আর পরিবারের জন্য যা থাকে তা সামান্যই।

অভিভাবক যাচাই করার উপায় পান না

অভিভাবক এখন আগে খোঁজেন, তারপর ভর্তি করান। আপনার নাম, আপনার কোর্স, আপনার ছাত্রদের ফল — দেখার কোনো জায়গা না থাকলে তিনি যাচাই করবেন কীভাবে? আর যাচাই করতে না পারলে ভরসাও করেন না।

অথচ ভালো পড়ানোটাই যথেষ্ট হওয়ার কথা ছিল।

আমরা জানি এই কষ্টটা কেমন।

ভালো পড়িয়েও ছাত্র হাতছাড়া হওয়া, ছাত্র বাড়লে নিজের সময়টুকু হারিয়ে ফেলা — এসব একা কারও দোষ নয়। এতগুলো কাজ একজন মানুষের হাতে থাকলে এমনটাই হয়।

আমরা বাইরের কেউ নই — বাংলাদেশে বসে, বাংলাদেশের শিক্ষকদের জন্যই বানানো।

শিক্ষকেরা যা বলছেন

আগে প্রতি মাসে বকেয়ার তালিকা মেলাতে দুই দিন চলে যেত। এখন এক পাতায় দেখি, কাকে মনে করিয়ে দিতে হবে সেটাও সিস্টেম বলে দেয়।
রফিকুল ইসলামগণিত · এইচএসসি · বগুড়া
রাত এগারোটায় আর ফোন ধরতে হয় না। নোট, রুটিন, রেকর্ডিং — সব অ্যাপেই থাকে, ছাত্ররা নিজেরাই নিয়ে নেয়।
সাদিয়া আফরিনইংরেজি · ও-লেভেল · ঢাকা
প্রথম মাসেই তিন জেলার ছাত্র ভর্তি হলো। এদের কেউই আগে আমার নাম শোনেনি।
মাহবুব হোসেনপদার্থবিজ্ঞান · এইচএসসি · চট্টগ্রাম
ভর্তি, পেমেন্ট, হাজিরা — তিনটা খাতা ছিল, তিনটাই বাদ। এখন ক্লাসের আগে শুধু পড়ানোর প্রস্তুতিটাই নিই।
নুসরাত জাহানরসায়ন · এসএসসি · খুলনা
কোচিং সেন্টারের সাতজন শিক্ষক একই জায়গা থেকে ব্যাচ চালাই। কে কোন ক্লাস নিল, কার কত ছাত্র — সব একসাথে দেখা যায়।
তানভীর আহমেদপরিচালক · কোচিং সেন্টার · সিলেট
২ মিনিট
সাইন আপ করতে লাগে
৭ দিন
ফ্রি ট্রায়াল, কার্ড ছাড়াই
০ টাকা
সেটআপ ফি, কোনো চুক্তি নেই
১০০%
কনটেন্ট আর আয় আপনার

যেসব প্রতিষ্ঠানের জন্য তৈরি

শিখর একাডেমিপ্রয়াস কোচিংউদ্ভাস শিক্ষাকেন্দ্রমেধা ক্লাসরুমঅগ্রদূত একাডেমিদিগন্ত কোচিং

৭ দিনের প্ল্যান

  1. সাইন আপ করুন

    ফোন নম্বর দিয়ে, ২ মিনিটে। কার্ড লাগবে না।

  2. আপনার একাডেমি সাজান

    কোর্স, রুটিন, শিক্ষকের প্রোফাইল, ছবি — নিজের মতো করে সাজান, নিজের নামে।

  3. পাবলিশ চাপুন

    ওয়েবসাইট লাইভ, ছাত্ররা অ্যাপে আপনাকে খুঁজে পাবে।

কার্ড লাগবে না · সেটআপ ফি নেই · আপনার কনটেন্ট আপনার · টাকা সরাসরি আপনার কাছে · যেকোনো সময় বন্ধ করতে পারবেন

দুটো পথ

আজকের সিদ্ধান্ত, আগামীর ফলাফল

যতদিন দেরি, ততদিন পিছিয়ে

  • অভিভাবক এখন আগে অনলাইনে খোঁজেন — নামটা না পেলে যাচাইয়ের আগেই বাদ, ছাত্র অনলাইনে পড়ুক বা আপনার ঘরে এসে
  • যে শিক্ষক আগে জায়গাটা নিচ্ছেন, তিনিই আগে চেনা হচ্ছেন — পরে গেলে সেই জায়গাটা আর খালি থাকে না
  • সিস্টেম ছাড়া বাড়তি ছাত্র মানে বাড়তি চাপ, বাড়তি স্বস্তি নয় — তাই বাড়ানোটাই ভয়ের হয়ে দাঁড়ায়
  • যে ছাত্র আজ হাতছাড়া, সে চিরদিনের জন্য হাতছাড়া — একবার অন্য কারও কাছে ভর্তি হলে, সে আর ফেরে না

যোগ্যতাই এখন যথেষ্ট — পরিচিতি নয়।

  • যে ছাত্র কখনো আপনার নাম জানত না, সে এখন আপনার ক্লাসে বসে আছে
  • হাজিরা, বকেয়া, পরীক্ষার ফল — সব এক জায়গায়, খাতা খুঁজতে হয় না
  • যে প্রশ্নের উত্তর সিস্টেমে আছে, সেটা আর আপনাকে জিজ্ঞেস করতে হয় না — রাতের ফোনটা শান্ত থাকে
  • বয়স বাড়লেও আয় কমে না — কোর্স চলতে থাকে, আপনি বিশ্রাম নিলেও

দেরি করলে ছাত্র অপেক্ষা করে না।

আজ শুরু করলে আগামী মাসে আপনার নাম নতুন ছাত্রের সামনে থাকবে।

TutorEngine

টিউশনি থেকে

প্রতিষ্ঠান

নিজের পড়ানোকে প্রতিষ্ঠানে দাঁড় করানোর ধাপগুলো

ফ্রি পিডিএফ

ফ্রি বই

টিউশনি থেকে প্রতিষ্ঠান

নিজের পড়ানোকে একটা প্রতিষ্ঠানে দাঁড় করানোর ধাপগুলো — শুরু থেকে। ইমেইল দিন, বইটি এখনই পাঠিয়ে দিচ্ছি।

  • ফি কীভাবে ঠিক করবেন, আর কখন বাড়াবেন
  • অভিভাবকের আস্থা তৈরি হয় কোন কাজগুলোয়
  • একা হাতে না চালিয়ে ব্যাচ সাজানোর নিয়ম

শুধু বই আর কাজে লাগার মতো পরামর্শ। যেকোনো সময় বন্ধ করতে পারবেন।

কেন বিশ্বাস করবেন

আপনার একাডেমি, আপনার নিয়ন্ত্রণে

টাকা সরাসরি আপনার কাছে

ছাত্রের পেমেন্ট আপনার নিজের গেটওয়ে অ্যাকাউন্টে যায় — আমাদের হাত ঘুরে নয়। কত এলো, কে দিল, কে বাকি রাখল, সব আপনি দেখতে পান।

আপনার কনটেন্ট আপনারই

ভিডিও, নোট, প্রশ্ন — যা আপলোড করবেন সব আপনার। যেকোনো দিন চলে যেতে চাইলে নিয়ে যেতে পারবেন, কিছু আটকে রাখা হবে না।

কোনো চুক্তি নেই

মাসিক হিসাব, যেকোনো সময় বন্ধ করার সুযোগ। সেটআপ ফি নেই, লুকানো খরচ নেই, বন্ধ করতে কাউকে ফোন করতে হবে না।

সাধারণ প্রশ্ন

আমার তো টেকনিক্যাল জ্ঞান নেই, পারব?

ফেসবুক চালাতে পারলে এটাও পারবেন। কোর্স যোগ করা, রুটিন দেওয়া, ছাত্র দেখা — সবই ফর্ম পূরণ করার মতো। কোডিং বা ডেভেলপার কিছুই লাগবে না।

আমার ভিডিও কি অন্য কেউ ডাউনলোড করে ছড়িয়ে দিতে পারবে?

ভিডিও সরাসরি ডাউনলোড করা যায় না, আর প্রতিটি ছাত্রের নিজের লগইন লাগে। কে কোন ক্লাস দেখেছে সেটাও আপনি দেখতে পান।

আমার নিজের ডোমেইন ব্যবহার করা যাবে?

যাবে। শুরুতে আমাদের দেওয়া ঠিকানা পাবেন, পরে নিজের ডোমেইন যুক্ত করতে পারবেন — আপনার একাডেমি আপনার নামেই থাকবে।

ছাত্ররা কি অ্যাপে ক্লাস করতে পারবে?

পারবে। ছাত্রদের জন্য অ্যাপ আছে, আর ওয়েবসাইট থেকেও ক্লাস করা যায় — ফোনে আলাদা কিছু ইনস্টল না করলেও চলবে।

আপনার একাডেমি আজই শুরু করুন

সাইন আপ করতে ২ মিনিট। কার্ড লাগবে না, সেটআপ ফি নেই।